মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের পদযাত্রা
এইদেশ ডেস্ক-, রবিবার, জুন ০৯, ২০১৩


মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের পদযাত্রা

আজ রোববার (০৯ জুন ২০১৩) বিকেল তিনটায় মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের উদ্যোগে একটি পদযাত্রার কর্মসুচি পালন করা হয়। গণজাগরণ মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক ও ভিএজি,বি আহবায়ক শাহ মোস্তাইন বিল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা ও গণজাগরণ মঞ্চের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মুহিবুর রহমান, গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য-সচিব ও সিবিএস সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া, কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মাহমুদ মিয়া, ভিএজি,বি সদস্য অধ্যাপক আনন্দ মোহন দাস, কানাডা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইতরাত জুবেরী সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা ও ভিএজি,বি সদস্য দিলীপ কর্মকার, মুক্তিযোদ্ধা ও ভিএজি,বি সদস্য নুরুল আমীন খান, মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক রাজ্জাক হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা ও সিবিএস উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী, কলামিস্ট নুর মোহাম্মদ কাজী ও মিসেস কাজী, জোবরা ফাউন্ডেশন সভাপতি ও সিবিএস উপদেষ্টা দিদারুল হাসান, সিবিএস উপদেষ্টা মুস্তাফিজুর রহমান ফিরোজ, তৈমুন্নেছা ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান ইয়াহিয়া আহমেদ, মন্ট্রিয়ল আওয়ামী লীগ সভাপতি আফজাল রহমান টিটো, সাধারণ সম্পাদক এনাম আহমেদ, ব্যবসায়ী নজরুল আলম সানু, বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি মোরশেদুল হক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা হেলাল উদ্দিন আহমেদ, মন্ট্রিয়ল আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুর রহমান দরুদ, সিমন সরকার, লাল শরীফ, সাদেক হোসেন খান শিবলী, আব্দুস সহিদ, আলাউদ্দিন মিয়া, আব্দুল গণি, সৈয়দ আব্দুল মুয়িজ (ওসমান), ভিএজি,বি সদস্য আরিয়ান হক, ভিএজি,বি সদস্য রণজয় বড়ুয়া, ভিএজি,বি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ তফাজ্জল হোসেন পরাগ, মোতাহার মিয়া, কিশোর ফাহিম হক প্রত্যয় ও জারিন হক প্রিয়াম এই পদযাত্রায় অংশ নেন। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার পক্ষ থেকে সাংবাদিক রণজিৎ মজুমদার, সাংবাদিক শরীফ ইকবাল চৌধুরী, সাংবাদিক সদেরা সুজন, সাংবাদিক তানভীর ইউসুফ রনি, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির রতন ও সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রুবেল এই পদযাত্রার অনুষ্ঠানটিকে কভার করেন।

মন্ট্রিয়ল নগরীর পার্ক এক্সটেনশন এলাকার এথেনা পার্ক থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয় এবং অগিলভি সাইডওয়াক ধরে পার্ক মেট্রো সংলগ্ন লাবলজ মাঠে এসে শেষ হয়। পদযাত্রাকালে অংশগ্রহণকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মুহুর্মুহু শ্লোগানে উচ্চকিত হয়ে উঠেন। লাবলজ মাঠে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য-সচিব জিয়াউল হক জিয়া ও সদস্য ইতরাত জুবেরী সেলিম। কর্মসুচির সমাপ্তি ঘোষণাকালে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শাহ মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি দুটি আনুষ্ঠানিক কর্মসুচি পালনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধের দাবী পূরণ হলেও গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলতে থাকবে। কেননা এই আন্দোলন দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিপুষ্ট একটি নিরবিচ্ছিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন। যতোদিন পর্যন্ত বিদ্যমান সহিংস রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির স্থলে একটি পরমতসহিষ্ণু গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চালু না হবে এবং যতোদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও জবাদিহিমূলক রাষ্ট্র ও সমাজকাঠামো গড়ে না উঠবে ততোদিন পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের কার্যক্রম উল্লেখ করে জনাব বিল্লাহ বলেন, ১০ মার্চ মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চের যাত্রা শুরুর পর থেকে ইতিমধ্যে প্রায় তিনশো বাংলাদেশী কানাডিয়ান যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে গণস্বাক্ষর অভিযানে অংশ নিয়েছেন এবং গণস্বাক্ষর খাতায় স্বাক্ষরদান করেছেন। এই সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তিনি বলেন, মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চ অন্য দশটি সংগঠনের মতো গতানুগতিক ধারায় চলবে না। এই সংগঠন মন্ট্রিয়লের বৃহত্তর বাঙালি কম্যুনিটির সাথে আদর্শিক ও চেতনাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।

জিয়াউল হক জিয়া তার বক্তৃতায় বলেন, মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চ কয়েকটি সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গের একটি প্ল্যাটফর্ম শুধু নয়; এটি একটি চেতনার ঐক্য। নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আন্তরিকতা দিয়ে এই ঐক্যের পরিধিকে বিস্তৃত করতে হবে।

ইতরাত জুবেরী সেলিম বলেন, মন্ট্রিয়ল গণজাগরণ মঞ্চ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিসমূহের মিলন কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই মিলন কেন্দ্র আমাদের দেশপ্রেম ও শৃংখলাবোধকে শাণিত করেছে। আমরা এর অগ্রযাত্রায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো।